বিএনপি-জামাত

বিএনপি আর কোনো দিন ক্ষমতায় আসবে না কি কারনে? দেখে মিলিয়ে নিন।

গণতন্ত্রে সাধারনত প্রথেম দল গঠন হয় তারপর সংগঠন মজবুত করা হয় দেশের নাগরিকেরা দলে যোগ দেয় জনমত গঠন করে নির্বাচনের মাধ্যমে সেই দলকে ক্ষমতায় আনে তাদের প্রত্যাশিত  সেবা বুঝে নেয়ার জন্য… কিন্তু মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান আগে ক্ষমতায় এসেছেন তারপর শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক চাপের কারনে দল গঠন করতে বাধ্য হয়েছেন। তানাহলে দল ছাড়াই তিনি তার কাজ চালিয়ে যেতেন বলে আমি মনে করি, মানে দল না থাকলে একেবারেই একনায়ক তান্ত্রিক হয়েযায় তাই লোক দেখানোর উদ্দেশ্য ঘসা মাজা একটা কোনো মতন দল,

জিয়া সরকার দেশ চালানোর সময়ে মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি একেবারে নিচে নেমে এসেছিলো লুটপাট গুম খুন সাধারন বিসয় ছিলো জিয়ার চলা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো লোক কথা বললেই পরের দিন রাতে তার বাসায় আগুন বা তার লাশ ড্রেনে এমন,,, হাট বাজারে বসে চা খাওয়ার সময় জিয়ার বিরুদ্ধে কথা বললে গরম চা মুখের মধ্যে ঢেলে দেয়ার কাহিনী শুনেছি এলাকার মুরুব্বি চাচা দেরথেকে, তাহলে বুঝুন বিসয় টা কোন পর্যয়ে চলে গিয়েছিলো!

বাংলাদেশের প্রায় সব গুলা এক্টিভ ডিএক্টিভ সন্ত্রাসী সংগঠন গুলা তাদের আমলে তাদের ছত্রছায়ায় তৈরি, সংগঠন গুলা তৈরি করা হয়েছিলো বিরোধী মতাদর্শের মানুষদের খুন করতে এবং সাধারন মানুষকে হয়রানীর মধ্যে রাখতে যাতে করে মানুষ ভয়ের মধ্যে থাকে বিরুদ্ধাচরণ না করে, বিএনপির মধ্যে স্বজন প্রিয়তা এতো বেশি পরিমানে ছিলো যার বর্ণনা দিতে গেলে লেখা লম্বা হবে এটা অবশ্য তাদের পতনের একটা বড় কারন বলা চলে, বিএনপি প্রথম দিকে এমন একটা হাইপ ক্রিয়েট করেছিলো যে ধানের শীষ মানেই বিজয়

কারন ভোট তো লাগতো না, অনুগত সেনাসদস্য দের ব্যবহার করে কিভাবে নির্বাচন জিততে হয় তা এক্স আমলা জিয়াউর রহমান এর ভালোমতো জানাছিলো, আর প্রতিটি বিসয়ে কি পরিমান দুর্নীতি যে বিএনপির লোকজন করেছিলো তা আলাদা লেভেল এর। সাধারণ মানুষ ক্ষুধার জ্বালায় মারা যাচ্ছিলো আর বিএনপির নেতারা ত্রানের টাকা লুটে লুটে ফুলে ফেপে উঠছিলো, এর কারনে মানুষের মনে বিএনপি এর প্রতি এক বিরাট ক্ষোভ এর জন্ম হয় যা দিন দিন বাড়তে থাকে।

বিএনপি এর পতন এবং আর কোনো দিন সরকার গঠনের সক্ষমতা হারানোর সবচেয়ে বড় কারনটা হলেন তারেক জিয়া নিজে,

দুর্নীতির রাজপুত্র বলে এনাকে আমার ভাইয়েরা সারা বাংলাদেশের মানুষরাই বলে মনে হয়, ইনি এমন এমন দুর্নীতি করেছেন যার জন্য বাংলাদেশকে দেওলিয়াও হতে হতো( আমার মনে হয়)। এনার সেরা দুর্নীতি গুলার মধ্যে অন্যতম মারাত্মক দুর্নীতি হলো -নাইকো এর সাথে করা গ্যসকুপ দুর্নীতি বিএনপির তখনকার জ্বালানী প্রতিমন্ত্রীকে ১৭০০০০ হাজার ডলার এর গাড়ী দিয়েছিলেন নাইকোর কতৃপক্ষ যার বিনিময়ে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার গ্যস সমৃদ্ধ একটি কুপ তাদের দেয়া হয়…..জনগন আর সংসদ কে এটা এটা দেখানো হয় যে ওই কুপে আর গ্যস নেই ফাকা কুপ।

একটা কথা বাংলাদেশের ওই গ্যস কুপ কি আপনার বাবার? যে গিফ্ট করে দিলেন?!

দেশের মানুষের সামনে এসব জিনিস এখন পানির মতো পরিস্কার, বিএনপি এর মুখে উন্নয়ন আর ভুতের মুখে রাম নাম একই কথা, জনমত যেহুতু তাদের নেই সেহুতু বিএনপি আর ক্ষমতায় আসবে না, এখানে শুধু বিএনপির উপরের চেহারা নিয়ে কথা তুলে ধরেছি, সব চাইতে বড় কথা জনপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার আন্দোলন সংগ্রাম, তার সাথে তারেক জিয়ার ইন্ডিরেক্ট ক্ষমতা গ্রহন, অন্য ধর্মালম্বী দের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল এগুলা আবার নিয়ে আবার আলোচনা হবে।

গুজব এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থানকারী, দেশের কল্যানে যে কোনো বিসয়ে চরম কট্টরপন্থী।

আপনার রিএকশন কি?

একই রকম আরও কিছু আর্টিকেল

প্রতিভায় পরিপূর্ন বিএনপি – বিএনপি গট ট্যালেন্ট

এই মুহুর্তে বিরোধী দলের ভূমিকায় ধার করে থাকা দল বিএনপি-তে প্রতিভাধর মানুষের সংখ্যা সবসময়ের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এতদিন মেধাশূন্য একটা দল হিসেবেই মানুষ বিএনপিকে অপবাদ দিল কিন্তু সেইদিন গত হয়ে গেছে। আর বিএনপির এসব প্রতিভাধরদের নিয়েই হালকা লিস্ট পোস্ট।

রোজগারবিহীন খাম্বাস্টার লন্ডনে বিলাসী জীবনের নেপথ্যে অর্থপাচারঃ

ব্যক্তিগত রোজগার না থাকলেও লন্ডনে পরিবার নিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করছেন একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এদের (বিএনপি)ভাইস চেয়ারম্যান খাম্বাস্টার খ্যাত তারেক জিয়া ওরফে খাম্বা তারেক ।

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
105
54

রাজনীতিতে ১০ ডিসেম্বরই গুরুত্ব হারিয়েছে এরা (বিএনপি):ড. প্রণব কুমার পান্ডে

গত প্রায় দুই মাসের ওপর সময়কালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রিক উৎকণ্ঠা বিরাজমান ছিল জনসাধারণের মনে। মাস দুয়েক আগে ঢাকার একটি জনসভায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান বলেছিলেন যে, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিচালিত হবে। সেই ঘোষণাকে সরকারের তরফ…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

দেশদ্রোহী ও পলাতক ড. রাজু আহমেদ দিপু এক অত্যন্ত জঘন্য ব্যাক্তি ও ভন্ড দেশপ্রেমিক রুপী শয়তান

ছোটবেলা থেকেই কিশোর গ্যাং, মারামারি এসব করেই একালায় হাঙ্গামা সৃষ্টি করত রাজু। ঢাকার আইডিয়েল কলেজে পড়াশুনার সময় ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করে এই দীপু। ছাত্রীদের হয়রানী , যৌন নির্যাতনসহ অসামাজিক কাজ করত এই দিপু।

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
120
60

২০০১ থেকে ২০০৬: ভূমি দখল ও দুর্নীতিতে মগ্ন ছিল এদের (বিএনপি)নেত্রীর মন্ত্রী এবং মেয়রেরা

খালেদা জিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও বরিশালের সিটি মেয়র মজিবর রহমান সারোয়ারের দুর্নীতির রেশ পৌঁছে যায় দেশের সীমা পেরিয়ে বিদেশেও। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সীমাহীন লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে পাঁচবার…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
103
52

২০০১ থেকে ২০০৬: সাল এদের (বিএনপি)সময়ের সাবেক অর্থমন্ত্রীর ছেলে নাসের রহমানের কুখ্যাত বাহিনীর ভয়ে ঘরছাড়া হয় মৌলভীবাজারের সহস্রাধিক পরিবার

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় সিলেট ও মৌলভীবাজারে সন্ত্রাস ছড়ায় বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা সাইফুর রহমানের পুত্র নাসের রহমান। ছাত্রদলের বিশাল ক্যাডার বাহিনী দিয়ে পুরো এলাকার গড ফাদার হয়ে ওঠে নাসের। বিরেধী দল তো বটেই, নিজ দলের সিনিয়র নেতারাও ভয় পেতো নাসেরের বাহিনীকে। এ ব্যাপারে নাসের রহমান নিজেই বলেন, এলাকার লোকজন তাকে যুবরাজ বা সাদ্দাম হোসেন বলে ডাকে। মৌলভীবাজার বিএনপির সাবেক সভাপতি এবাদুর রহমান চৌধুরী আফসোস করে বলেন, হঠাৎ…