দেশ-বিরোধী চক্রান্তবিএনপি-জামাত

দেশদ্রোহী ও পলাতক ড. রাজু আহমেদ দিপু এক অত্যন্ত জঘন্য ব্যাক্তি ও ভন্ড দেশপ্রেমিক রুপী শয়তান

ছোটবেলা থেকেই কিশোর গ্যাং, মারামারি এসব করেই একালায় হাঙ্গামা সৃষ্টি করত রাজু। ঢাকার আইডিয়েল কলেজে পড়াশুনার সময় ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করে এই দীপু। ছাত্রীদের হয়রানী , যৌন নির্যাতনসহ অসামাজিক কাজ করত এই দিপু।

ছোটবেলা থেকেই কিশোর গ্যাং, মারামারি এসব করেই একালায় হাঙ্গামা সৃষ্টি করত রাজু। ঢাকার আইডিয়েল কলেজে পড়াশুনার সময় ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করে এই দীপু। ছাত্রীদের হয়রানী , যৌন নির্যাতনসহ অসামাজিক কাজ করত এই দিপু। মাদক ব্যাবসারী এই রাজু মাতাল অবস্থায় রাস্তায় পরে থাকত। সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার কাজ তার। বড় বড় বিএনপির নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে হয়ে ওঠে আরো শক্তিশালী।

রাজু আহমেদ দিপুকে বলা হয় সরাসরি তারেকের কর্মচারী ও বিএনপি জামাতের গুজব ফ্যাক্টরির মূল কারিগর। বিভিন্ন মামলার আসামী হয়ে পালিয়ে এখন বিদেশে আশ্রয় নিয়েছে এই কুলাঙ্গার। যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান এবং দেশবিরোধী চক্রের ইশারায় গুজব রটাতে সিদ্ধহস্ত পেইড এজেন্টদের অন্যতম রাজু আহমেদ দিপু। শুরু থেকেই জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট হিসেবে রাজুকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। রাজু একজন জাতীয় প্রতারকের নাম। লোকজনকে উস্কানি দিয়ে মাঠে নামিয়ে মার খাওয়ায় আর সে নিজে ঘরে বসে বসে লাইভ করে। রাজু ও তার সিন্ডিকেটের অপকর্ম, যৌন কেলেংকারি, নারী বিদ্বেষী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সময় প্রবাসীদের কাছ থেকে অর্থ, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় সংগ্রহ করা অর্থ ও করোনার ত্রাণের অর্থ নিয়ে নয়ছয় করে অর্থ আত্মসাৎ করেছে।

তাছাড়া একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায় শিবিরে থাকার সময় থেকেই সে ভয়ংকর জঙ্গি সংঘটন হরকাতুল জিহাদ, হিজবুত তাহরীর, জামাতুল মুজাহিদিনসহ বাংলাদেশে মোট ৪০টির মতো জঙ্গি সংগঠনের সাথে দিপু সরাসরি জড়িত। বিশ্বের শীর্ষ জঙ্গিদের সাথে নিয়মিত গোপনে বৈঠক করে এই দিপু ।জঙ্গি দিপু গোপনে নিরীহ ছাত্রদের ধরে এনে জোড় করে প্রশিক্ষন দিয়ে তাদের জঙ্গি বানিয়ে তোলে।

, বিএনপির ক্ষমতায় আসার সূযোগ নিতে ইউরোপ থেকে দেশে ফিরে আবার যুক্ত হয় যুবদলের রাজনীতিতে। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক কূটকৌশল খাটিয়ে এক সময় কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান করে নেয় এবং দায়িত্ব পান সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের। পরবর্তীতে ঢাকায় দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বেশ কটি মামলার আসামি হওয়ায় এলাকায় উপস্থিতি কিছুটা কমিয়ে দিলেও মোবাইলে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে রয়েছে নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান রাজু আহমেদ দিপু। তার এখন চোখ ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসন। বর্তমানে থাকছে জার্মানে এবং সমান তালে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

সরকার বিরোধী ও রাষ্ট্র বিরোধী অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনে প্রবাসে থেকে রাষ্ট্র বিরোধী কার্যকলাপ ও গুজব ছড়ানোর কারণে যে সকল ব্যক্তিরা বহুল আলোচিত তাদের মধ্যে দিপু অন্যতম। তাই বলব রাজু কুলাঙ্গার প্রতিনিয়ত সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক শ্বাসরুদ্ধকর সমালোচনা করেন। এদের মতো মানুষ দেশ ও সমাজের চরম শত্রু । তাই এদের কথায় নিজেদের ব্রেইন ওয়াশ হতে দিবেন না। এদের দ্বারা ছড়ানো অপপ্রচার থেকে নিজেদের দূরে রাখুন

 

 

 

আমি মোহাম্মদ শাফকত হাসান পিয়াল আমার বাড়ী যশোর আমি আওয়ামী লীগ এর একজন একনিষ্ঠ সমর্থক শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে একই বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে বিবিএ চলমান

আপনার রিএকশন কি?

একই রকম আরও কিছু আর্টিকেল

প্রতিভায় পরিপূর্ন বিএনপি – বিএনপি গট ট্যালেন্ট

এই মুহুর্তে বিরোধী দলের ভূমিকায় ধার করে থাকা দল বিএনপি-তে প্রতিভাধর মানুষের সংখ্যা সবসময়ের তুলনায় ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এতদিন মেধাশূন্য একটা দল হিসেবেই মানুষ বিএনপিকে অপবাদ দিল কিন্তু সেইদিন গত হয়ে গেছে। আর বিএনপির এসব প্রতিভাধরদের নিয়েই হালকা লিস্ট পোস্ট।

রোজগারবিহীন খাম্বাস্টার লন্ডনে বিলাসী জীবনের নেপথ্যে অর্থপাচারঃ

ব্যক্তিগত রোজগার না থাকলেও লন্ডনে পরিবার নিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করছেন একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এদের (বিএনপি)ভাইস চেয়ারম্যান খাম্বাস্টার খ্যাত তারেক জিয়া ওরফে খাম্বা তারেক ।

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
105
54

রাজনীতিতে ১০ ডিসেম্বরই গুরুত্ব হারিয়েছে এরা (বিএনপি):ড. প্রণব কুমার পান্ডে

গত প্রায় দুই মাসের ওপর সময়কালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রিক উৎকণ্ঠা বিরাজমান ছিল জনসাধারণের মনে। মাস দুয়েক আগে ঢাকার একটি জনসভায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান বলেছিলেন যে, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিচালিত হবে। সেই ঘোষণাকে সরকারের তরফ…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

২০০১ থেকে ২০০৬: ভূমি দখল ও দুর্নীতিতে মগ্ন ছিল এদের (বিএনপি)নেত্রীর মন্ত্রী এবং মেয়রেরা

খালেদা জিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও বরিশালের সিটি মেয়র মজিবর রহমান সারোয়ারের দুর্নীতির রেশ পৌঁছে যায় দেশের সীমা পেরিয়ে বিদেশেও। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সীমাহীন লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে পাঁচবার…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
103
52

২০০১ থেকে ২০০৬: সাল এদের (বিএনপি)সময়ের সাবেক অর্থমন্ত্রীর ছেলে নাসের রহমানের কুখ্যাত বাহিনীর ভয়ে ঘরছাড়া হয় মৌলভীবাজারের সহস্রাধিক পরিবার

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় সিলেট ও মৌলভীবাজারে সন্ত্রাস ছড়ায় বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা সাইফুর রহমানের পুত্র নাসের রহমান। ছাত্রদলের বিশাল ক্যাডার বাহিনী দিয়ে পুরো এলাকার গড ফাদার হয়ে ওঠে নাসের। বিরেধী দল তো বটেই, নিজ দলের সিনিয়র নেতারাও ভয় পেতো নাসেরের বাহিনীকে। এ ব্যাপারে…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

এদের (বিএনপি-জামায়াত)শাসনামল:এদের (বিএনপি)নেত্রীরসাথে ঘনিষ্ঠতার জেরে হাজার কোটির মালিক, হুন্ডি ও অর্থ পাচারের অন্যতম হোতা মোসাদ্দেক আলী ফালু

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

মোসাদ্দেক আলী ফালু- বাংলাদেশের এক মহা-বিতর্কিত চরিত্র। খালেদা জিয়া ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় অবৈধভাবে হাজার কোটি টাকার মালিক হয় সে। হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচার করে বিদেশের মাটিতেও গড়ে তোলে একাধিক ব্যবসা।