অন্যান্য

যাদু-টোনা বা কবিরাজি বিদ্যা ছাড়া বিএনপির ক্ষমতায় আসা অসম্ভবঃ মির্জা ফখরুল

যাদু-টোনা বা কবিরাজি বিদ্যা ছাড়া বিএনপির ক্ষমতায় আসা অসম্ভবঃ মির্জা ফখরুল
দলের অভ্যন্তরে সমন্বয়হীনতা, সিনিয়র নেতাদের ষড়যন্ত্র, বেগম খালেদা জিয়াকে অবমুক্ত না করার উদ্যোগসহ বিভিন্ন কারণে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের সাথে ক্রমশ দূরত্ব বাড়ছে তারেক রহমানের। বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সিনিয়র নেতাদের ছন্নছাড়া অবস্থায় বিএনপি মৃতপ্রায়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিএনপির অঙ্গ সংগঠন থেকে যে অনুদানের টাকা আসে সেই টাকার ভাগ নিয়েই বিএনপির অভ্যন্তরে মূল গণ্ডগোল সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও দলে মির্জা ফখরুলের একচ্ছত্র আধিপত্য, রাজপথের আন্দোলনের নামে উঠান বৈঠক করা, সভা-সেমিনারে আন্দোলন সীমাবদ্ধ রাখার জন্য রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসি-ঠাট্টার পাত্রে পরিণত হয়েছে বিএনপি। মির্জা ফখরুল মনে করেন বিএনপির অবস্থা কৃষকহীন শস্য ক্ষেতের মতো হয়ে গিয়েছে। বিএনপি অলৌকিক ভাবেই টিকে আছে। জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয় বিএনপির। কবিরাজি বিদ্যায় নয়তো কোনো কালো জাদুর মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় আসলেও আসতে পারে। বর্তমান বিএনপি এতিম, অসহায় ও সহায়-সম্বলহীন। নেতারা প্রতিনিয়ত বিএনপিকে বিক্রি করছেন বেঁচে থাকার জন্য। দলের নেতৃত্ব কার হাতে কেউ জানে না সঠিকভাবে। রিজভী নিজেকে মহাসচিব ভাবেন। মির্জা ফখরুল রিজভীকে সহ্য করতে পারেন না। যেন সতীনের সংসার করছে বিএনপি। বিএনপির নয়াপল্টন সূত্রে জানা যায়, যুবদলে একাধিক কমিটি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া, তৃণমূল বিএনপি থেকে তোলা চাঁদার টাকায় দুর্নীতি, তৃতীয় জোট তৈরি করার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে লন্ডন থেকে ফোন করে মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ একাধিক সিনিয়র নেতাকে বকাঝকা ও গালিগালাজ করেছেন তারেক রহমান। তার অনুপস্থিতিতে দলকে ভেঙে-চুরে, বিক্রি করে দালালীর জন্য এসব নেতাদের ইচ্ছামতো তিরস্কার করেছেন তারেক রহমান। চূড়ান্ত বোঝাপড়ার জন্য অভিযুক্ত নেতাদের ব্যাংককে ডেকেছেন তারেক। মির্জা ফখরুলসহ একাধিক নেতা ব্যাংককে গেলেও চলতি দায়িত্ব কাউকে দিয়ে যাননি। অন্যের টাকায় মির্জা ফখরুলরা বিদেশ ভ্রমণ করেন, বিলাসিতা করেন, কেনাকাটাও করেন। তবে রিজভী আহমেদের মতো উপেক্ষিত নেতারা কার্যালয়ে বসে অপেক্ষার দিন গোনেন। রিজভীর মতে, শুধুমাত্র আল্লাহর দয়ায় বিএনপি চলে। আল্লাহ চালান বিএনপিকে। বিএনপি নিজে চলার পথ হারিয়ে ফেলেছে। বিএনপিকে দিশাহীন ও নেতৃত্বহীন করার জন্য তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল দায়ী।

আপনার রিএকশন কি?

একই রকম আরও কিছু আর্টিকেল

১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বর: যেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের ঈদের দিন

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

১৯৭১ সালের ঈদের দিন ছিল আজকের এই দিনে তথা ২০ নভেম্বর। সেই ঈদ ছিল ঈদ-উল-ফিতর। ঈদ মানেই উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা আর উৎসব হলেও মুক্তিযুদ্ধে ঈদ ছিল অন্যরকম। ঈদটি ছিল কেবলই মাতৃভূমির জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার।

প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে ধন্যবাদ রাজা চার্লসের

বার্কিংহাম প্রাসাদ থেকে শেখ হাসিনাকে ফোন করেন নতুন রাজা। ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস তার মা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে আসায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিয়েছেন।

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

এভাবে কি ক্ষমতায় আসা যায় বিএনপি???

হায় হায় পার্টি হল বিএনপি, যারা কখোনো কোনো কিছুতেই তুষ্ট হয় না । কোনো না ভাবেই তাদের সহজ স্বাভাবিক ব্যাপারকে ঘোলাটে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নিতেই হবে। নির্বাচন নিয়ে চলছে তাদের যত তালবাহানা অবশ্য এসব অনেক বছর থেকেই চলছে। তাদের মনোনীত প্রার্থী জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠ হয় আর না জিতলে নির্বাচন কারচুপি হয়েছে

লিখেছেন Duke
11k
5,380

To British High Commission, Dhaka, Bangladesh

UK in Bangladesh Facebook page of British High Commission, with all the good intention, raises claims of disappearance in Bangladesh. Appreciating such concern from friendly UK High Commission we as citizens believe our Government will do the needful to investigate all such claims, impartially

লিখেছেন নাহিদরেইন্স
108
55

বিলাসী জীবন যাপনে ব্যয় হওয়া টাকার অধিকাংশ অবৈধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে লন্ডনে পাচার করা হয়

যেখানে পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দর মির্জাকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে লন্ডনেই হোটেলের ম্যানেজার, উগান্ডার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইদি আমিনকে সৌদি আরবে ঝাড়ুদার, ইরানের নেতা রেজা শাহ পাহলবীকে প্রচ- অর্থকষ্টে জীবন যাপন করতে হয়েছিল, সেখানে বিনা রোজগারে তারেক রহমান বিলাসী জীবন যাপন করছেন। বিষয়টি রীতিমত

লিখেছেন Duke
6,812
3,475

তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশিরা সন্ধান পায় সুইস ব্যাংকের

লিখেছেন Duke
108
56

সারা বিশ্বের কালো টাকার আড়ত হিসেবে খ্যাত সুইজারল্যান্ডের সুইস ব্যাংক। হিসাব বহির্ভূত আয় জমা রাখার এক অভিনব ব্যাংক এটা। সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে কে বা কারা টাকা রেখেছে তার তালিকা নিয়ে হুলস্থূল কাণ্ড-কারখানা চলছে।কিন্তু কথা হলো- কিভাবে বাংলাদেশিরা এই সুইস ব্যাংকের সন্ধান পেলো? কার হাতে এর সূত্রপাত?জানা গেছে, বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বপ্রথম সুইস ব্যাংকে অবৈধ টাকা রাখেন খালেদা জিয়ার বড় পুত্র তারেক রহমান। ২০০১-০৬ সাল বাংলাদেশে অঘোষিতভাবে রাজত্ব করেছিলেন