দেশ-বিরোধী চক্রান্ত

বিএনপির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ‘গোপন বৈঠক’

বিএনপির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ‘গোপন বৈঠক’ হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় এ বৈঠক হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন, এ সময় রাজধানীর গুলশানে আমেরিকান ক্লাবে অবস্থান করেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। তখন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও তার স্ত্রীকেও ক্লাবটিতে দেখা গেছে।

বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি সূত্র জানায়, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিট থেকে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত আমেরিকান ক্লাবে সস্ত্রীক রাষ্ট্রদূত অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে বৈঠক হয়।

বৈঠক নিয়ে জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ আমেরিকান ক্লাবে ওই সময় অবস্থান করার কথা সময় সংবাদের কাছে স্বীকার করেন। তবে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার কোনো বৈঠক হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে জানতে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

এর আগে গেল ১৩ জুলাই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত চার্লস হোয়াটলি। ওইদিন সকালে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।
আমীর খসরু পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আমাদের যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং সেই সম্পর্কের মধ্যে যে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো আছে, সেসব নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।’

এছাড়া গত ১২ জুলাই মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী (ইউএনআরসি) গোয়েন লুইস। ওই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করেছে বিএনপি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দেড় বছর বাকি থাকতেই বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করছে বিএনপি। পুরোদমে মাঠে নামার আগে তারা উপর্যুপরি কূটনৈতিক তৎপরতাও চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

#বাংলাদেশ #বিএনপি #গোপনবৈঠক #মার্কিন #রাষ্ট্রদূত #আমেরিকা #যুক্তরাষ্ট্র #খালেদা #তারেক #মির্জাফখরুল #আমিরখসরু #শামাওবায়েদ

একজন হার্ডকোর আওয়ামীলীগার, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী

আপনার রিএকশন কি?

একই রকম আরও কিছু আর্টিকেল

রাজনীতিতে ১০ ডিসেম্বরই গুরুত্ব হারিয়েছে এরা (বিএনপি):ড. প্রণব কুমার পান্ডে

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

গত প্রায় দুই মাসের ওপর সময়কালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রিক উৎকণ্ঠা বিরাজমান ছিল জনসাধারণের মনে। মাস দুয়েক আগে ঢাকার একটি জনসভায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান বলেছিলেন যে, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিচালিত হবে। সেই ঘোষণাকে সরকারের তরফ থেকে উড়িয়ে দেওয়া হলেও জনগণের মধ্যে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল এই ভেবে যে, ১০ ডিসেম্বর দেশে কী ঘটতে চলেছে।

দেশদ্রোহী ও পলাতক ড. রাজু আহমেদ দিপু এক অত্যন্ত জঘন্য ব্যাক্তি ও ভন্ড দেশপ্রেমিক রুপী শয়তান

ছোটবেলা থেকেই কিশোর গ্যাং, মারামারি এসব করেই একালায় হাঙ্গামা সৃষ্টি করত রাজু। ঢাকার আইডিয়েল কলেজে পড়াশুনার সময় ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করে এই দীপু। ছাত্রীদের হয়রানী , যৌন নির্যাতনসহ অসামাজিক কাজ করত এই দিপু।

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
120
60

এদের (বিএনপি)নেত্রীরশাসনামল: রাজাকার সাকা চৌধুরীর দখল, দুর্নীতি, অশ্লীলতা ও বর্বর সন্ত্রাসী কার্যক্রমে বিপর্যস্ত রাষ্ট্র!

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যেকয়টি পরিবার মুক্তিযোদ্ধা এবং অসহায় নারীদের ওপর বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের মধ্যে শীর্ষতম হলো রাজাকার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার তাকে নিজের উপদেষ্টা বানান। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে শত শত বিঘা জমি দখল করে…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের যেভাবে মোশতাক এদের (বিএনপি)প্রতিষ্ঠাতা এবং এরা (বিএনপি)রক্ষা করেছে

পঁচাত্তরের ২৬ সেপ্টেম্বর দিনটি ১৫ অগাস্টের কলঙ্কিত অধ্যায়ের একটি ধারাবাহিকতা। এই দিন মোশতাক সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ইনডেমনিটি দেয়।

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

বাংলাদেশের কলঙ্কজনক অধ্যায় এদের (বিএনপি)প্রতিষ্ঠাতা: গণতন্ত্রের হন্তারক ও স্বৈরাচারী ব্যবস্থার জনক

৩ জুন, ১৯৭৮ সাল। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়। সেনাপ্রধানের পদে থেকে নাটকীয় এক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন জিয়াউর রহমান। রাজনৈতিক দলগুলোকে কোণঠাসা করে নিজেই গঠন 'জাগদল' নামের একটি দল। এরপর তথাকথিত সেই নির্বাচন শেষে নিজেই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। জিয়াউর রহমানের সামরিক উর্দি ও…

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
102
52

৭ নভেম্বর: সেনানিবাসে বিশৃঙ্খলা ও মুক্তিযোদ্ধা সেনা হত্যার ষড়যন্ত্রময় অধ্যায়

লিখেছেন Safkat Hasan Pial
101
52

১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর রাত ১২টার পর থেকেই বিশৃঙ্খলা শুরু হয় ঢাকা সেনানিবাসে। বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য কুশীলব ও সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্যরা। বঙ্গবন্ধুর খুনি মেজর মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে হত্যা ও লুটপাট শুরু করে পাকিস্তানফেরত সৈন্যরা। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এটি একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায়।