সমসাময়িক

পদবঞ্চিতদের জন্য আমার দুই লাইন

আমার কাছে তো মনে হয় পদ-পদবী-টাইটেল ইত্যাদি থাকলে আসলে ঠিক মত কাজ করা যায় না। অনেক হিসেব নিকেশ করে চলতে হয়। কখন কাউকে খুশী করে চলতে হয় আবার কখনও সামলে চলতে হয়। পাছে লোক কিছু বলে। পদে কি হবে? একটু ক্ষমতা আসবে বেশী হলে? সেই ক্ষমতা দিয়েই বা কি হবে কারন সেই ক্ষমতা সবসময় অপ্রতুল থাকবে। দেশের সকল পদধারীরা যদি এতটাই ক্ষমতাশীল হতেন তাহলে কিন্তু এত ফাইট দিতে হতো না।

যারা পদ পায় তাদের কাছে সব ভাল ……যারা পদ পায় না, তাদের কাছে দুনিয়া খারাপ ……বুঝলাম।

কিন্তু তার মানে এই না যে রাস্তাঘাটে টায়ার পুড়িয়ে, মারামারি করে এর প্রতিবাদ করতে হবে। পদ আসে পদ যায়। রাজনীতিতে এত এক্সপেকটেশন রাখলে কেমনে হবে?
পদের জন্য রাজনীতি করবেন নাকি দেশের জন্য রাজনীতি করবেন এটা আগে ঠিক করে নিতে হবে। একটা পদ দিয়ে কি হবে আর? এত হাজার হাজার পদ-পদবী – কিন্তু আসল নায়ক কারা ?
এই কালচারটা বন্ধ করতে হবে।
আমার কাছে তো মনে হয় পদ-পদবী-টাইটেল ইত্যাদি থাকলে আসলে ঠিক মত কাজ করা যায় না। অনেক হিসেব নিকেশ করে চলতে হয়। কখন কাউকে খুশী করে চলতে হয় আবার কখনও সামলে চলতে হয়। পাছে লোক কিছু বলে। পদে কি হবে? একটু ক্ষমতা আসবে বেশী হলে? সেই ক্ষমতা দিয়েই বা কি হবে কারন সেই ক্ষমতা সবসময় অপ্রতুল থাকবে। দেশের সকল পদধারীরা যদি এতটাই ক্ষমতাশীল হতেন তাহলে কিন্তু এত ফাইট দিতে হতো না।
তাহে আর কি? টাকাপয়সা? কিন্তু রাজনীতি করতে গিয়ে টাকা-পয়সার চিন্তা করাটাই তো হারাম। সেটা তো আদর্শের পরিপন্থী। কিন্তু কালচারটাই এমন হয়ে গেছে আজ।
যোগ্যরা পদ পাচ্ছে বা পাচ্ছে না – এই ব্যাপারটাও আপেক্ষিক। যে পদ পায়নি তার কাছে যে পদ পেয়েছে সে সবসময় অযোগ্য। অনেক ক্ষেত্রে উল্টাপাল্টা লোকজন পদ পায় – এটাও সত্যি। কিন্তু দিন শেষে একটা পদ দিয়ে আপনি কি করবেন?
নিজেই নিজের পদ বানান। নিজেই নিজের জায়গা বানান। তখন আপনিই একটা পদবী হয়ে যাবেন। কাজ করে যান দেশের জন্য – পদ থাকুক আর না থাকুক। পদ আসে যায়- কিন্তু আপনার কাজ আসবে যাবে না। ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ করতে থাকুন, যতক্ষণ না আপনি নিজেই একটা পদ না হয়ে যান। তখন আর পদের দরকার হবে না।
পদ-পদবী এসব নিয়ে কামড়াকামড়ি দেখতে আর ভাল লাগছে না ফেসবুকে আর পত্রিকায়। এগুলো দলের মানসম্মানটাই নষ্ট করে ফেলে। লুক এট দ্যা বিগার পিকচার ম্যান! দূর থেকে দেখলে মনে হয় লোভী কিছু মানুষ পদের জন্য যুদ্ধ করছে। যদি মনে হয় অযাচিত বা বিতর্কিতরা পদ পাচ্ছে, সাংগঠনিকভাবে আলাপ করুন। যদি আপনি সংগঠনের অংশ হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই সাংগঠনিকভাবেই যা বলতে চান বা প্রমাণ করতে চান তা করতে পারবেন। আর তা যদি না পারেন, নিজের দাবী যদি নিজের সংগঠনের মধ্যেই আনতে না পারেন, তাহলে দেশের জন্য কি কি দাবী করবেন আপনি? মারামারি-ভাংচুর করে মানসম্মানই যাবে ।
ততক্ষণ পর্যন্ত কাজ করে যান যতক্ষণ না আপনার নিজের নামটাই একটা পদবী হয়ে যায়। দ্যাটস অল।
একজন হার্ডকোর আওয়ামীলীগার, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী

আপনার রিএকশন কি?

একই রকম আরও কিছু আর্টিকেল

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

লিখেছেন Shuvo Dey
129
67

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সুপার ইউনিটখ্যাত "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের" ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই কর্ণধার এর সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়।

আমার ভাবনায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি!

৭১ এর পরাজিত শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দেশ ও দেশের অগ্রগতি থামিয়ে দেওয়া ই তাদের মূল উদ্দেশ্য। আমার এই পোষ্ট টি বঙ্গবন্ধুর সকল আদর্শের সৈনিক কে দয়া করে একটু ধৈর্য সহকারে পড়ুন। যাতে বিএনপি জামায়াতের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ কে যথাসময়ে যথাযথ উত্তর দিয়ে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার